এমদাদুল হক মিলন

1.jpg


জন্মদিন:
Thursday, 1 June 1950

এ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম এম.পি ১৯৫০ সালের ০১ জুন পুরনো ঢাকার ‍উর্দু রোডে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম মরহুম প্রিন্সিপাল হাকিম খুরশিদুল ইসলাম এবং মাতার নাম মরহুমা হালিমা খাতুন চৌধুরানী। তাঁরা ৬ বোন ও ৩ ভাই। ভাই-বোনদের মধ্যে জ্যেষ্ঠতার দিক থেকে এ্যাডভোকেট মোঃ কামরুল ইসলাম এর অবস্থান দ্বিতীয়। তাঁর বড় ভাই ড. আনোয়ার ইসলাম বতর্মানে ব্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে কমরত এবং কণিষ্ঠ ভ্রাতা মোরশেদুল ইসলাম সৃজনশীল চলচ্চিত্র নিমার্তা।

এ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম তিনি ১৯৭০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি. এ. এবং পরবতীর্তে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮২ সালে এল.এল.বি ডিগ্রী লাভ করেন। ছাত্রজীবনে তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগে যোগদান করেন। পরবতীর্তে তিনি ১৯৮৫ সালে আইন পেশায় যোগদান করেন। বাংলাদেশ লিবারেশন ফোস (বিএলএফ) এর প্রথম ব্যাচের সদস্য হিসেবে তিনি ভারতের দেরাদুন থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। তিনি বতর্মানে ঢাকা বার ও সুপ্রীম কোট বারের সদস্য এবং বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নিবার্চিত সদস্য ছিলেন। বতর্মানে তিনি ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক।

১৯৯৯ সালে ঢাকা মহানগর জেলা ও দায়রা জজ আদালত স্থাপনের পর এ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম উক্ত আদালতের প্রথম পিপি নিযুক্ত হন। এর পূবে তিনি ১৯৯৬-১৯৯৮ সাল পযর্ন্ত ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পিপি ও ভারপ্রাপ্ত পিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার প্রসিকিউশনের অন্যতম আইনজীবী এবং জেল হত্যা মামলার স্পেশাল পিপি ছিলেন। এ্যাডভোকেট মোঃ কামরুল ইসলামের স্ত্রী বেগম তায়েবা ইসলাম। তাঁরা তিন কন্যা ও এক পুত্রের জনক-জননী। তাঁদের তিন কন্যা স্নাতকোত্তর ডিগ্রীধারী এবং একমাত্র পুত্র বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজে অধ্যয়নরত। এ্যাডভোকেট মোঃ কামরুল ইসলাম ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নিবার্চিত হন। এরপর তিনি ২০০৯ সালের ২৪ জানুয়ারি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নিযুক্ত হন।